আমার ভ্যালেন্টাইন

বসন্ত এলে প্রেম আসতেই হবে, গাছে নতুন পাতা আসুক বা না আসুক। বাকি ঋতুতে প্রেম কি তাহলে কেবল অর্বাচীনদের জন্য? প্রেম কি তাহলে শুধু বসন্তের জন্যই অপেক্ষা করে থাকবে? মাঘের শেষ আর ফাল্গুনের শুরু থুড়ি আজকালকার জেনারেশন আবার জ্যান বা ফেব বলবে,ঐ তখন থেকেই ঢাক-ঢোল পিটিয়ে আজকাল প্রেমের জয়ধ্বজা উত্তোলন শুরু হয়ে যায়,প্রেম থাক বা না থাক। অমুক ডে তমুক ডে করে নানা ধরণের সেলিব্রেশন.........অনেকটা ডাক্তারের রোগ নির্ণয় করার বিবিধ টেস্টের মত। মনে তখন হয়ত বা চলছে বিরহ কিন্তু তাতে কি ? আজ হাগ ডে,কাল চকলেট ডে পরশু ফ্রেন্ডশিপ ডে.........বন্ধুত্ব জানতাম এমনিতেই হয়ে যায়,কখন বা কবে থেকে কে বন্ধু হয়েছে তার যদি দিনক্ষণ জানতে চাওয়া হয় আমার মগজে বুড়িমার দোদমা ফাটালেও কোন ডেট বেরিয়ে আসবে না। কি জানি এখন হয়ত পঞ্জিকা দেখে দিন ঠিক করার মতই নতুন বন্ধুত্ব পাতানোর জন্য ঐ ফ্রেন্ডশিপ ডে টার অপেক্ষা করে থাকতে হয়। পুরো দুনিয়াটাই তো ঘুসের লেনদেনে চলছে.........তাই ঐ ঘুস থুড়ি কিছু গিফট (অবশ্যই মা-বাবার ট্যাকের পয়সা খসিয়ে) দিয়ে নতুন বন্ধুত্বের দরজা খোলা হয়। আর এমনই দরজা সে যে কবে কল-কব্জা সমেত ভেঙ্গে পড়বে তারই অপেক্ষা।


ভ্যালেন্টাইন ডে উপলক্ষে অনেকেই (কবি-অকবি-অর্ধকবি-বিকশিত কবি-পূর্ণাঙ্গ কবি ইত্যাদি) নানা ধরণের তাঁদের সৃষ্টিতে মগ্ন। আমি চেষ্টা করি না যে তা নয় কিন্তু লেখাটা বেরোতেই চায় না; ভয়ংকর মুডি আবার সে। তার যখন ইচ্ছে হবে তিনি তখনই বেরোবেন। ইস্‌ , অনেককেই দেখি , সিল করা কোকের বোতল নাড়িয়ে দিয়ে খুলে দিলে যেমন হয় ঠিক তেমন সুন্দর অপ্রতিরোধ্যভাবেই তাদের লেখাও নির্দ্ধিদায় বেরিয়ে আসে। ঐ বাগদেবী যদি একটু আমার প্রতি সুপ্রসন্ন হতেন ! বোধহয় সরস্বতী পুজোর আগে কুল খেয়ে ফেলতাম বলেই তিনি আজও আমার প্রতি রুষ্ট ।


ভ্যালেন্টাইন ডের দিন এই অর্ধ্বপক্ব কেশ আর কুঞ্চিত কপোলে বেশ খানিকক্ষণ ধরে ভাবছিলাম, আচ্ছা আমার ভ্যালেন্টাইনটি কে? ঠিক আছে ফুল-বেলপাতা না হয় কারো থেকে নাই বা পেলাম, কিন্তু ঐ লিস্টিতে কে কে থাকতে পারে একটু ঝালিয়ে নিতে ক্ষতি টা কি? লিস্টি বানাতে গিয়ে দেখি বাগদেবী আমার ওপর সুপ্রসন্ন হোক বা না হোক ভাগ্যদেবী কিন্তু মোটেই রুষ্ট নন।

সেদিন বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি হয়ে চলেছে। মোটেই বসন্ত ছিল না সেদিন। ভরা শ্রাবণে চারিদিক অন্ধকার ,লাগাতার তিন-চারদিন ধরে বৃষ্টি হয়ে চলেছে। আমার কাজের লোক জ্যোতির মা আজ সাতদিন ধরে বেপাত্তা। এটা যে সময়ের ঘটনা তখন মোবাইলের এত রমরমা ছিল না। পাড়ায় কয়েকজনের বাড়িতেই ল্যান্ডলাইনের ফোন থাকতো, যাদের মধ্যে দু-একজনের নম্বর থেকেই সমগ্র পাড়ার বাইরের দুনিয়ার সাথে যোগসূত্র স্থাপন হত। যাইহোক, এ কান ও কান হয়ে শুনেছিলাম জ্যোতির মায়ের জ্বর হয়েছে। দুদিন না আসার পর মনে মনে বিরক্তিটা বাড়তেই লাগলো। জ্বর কি আর আমাদের হয় না? কদিন, সব কাজ ফেলেটেলে বসে ছুটি নিই? চার দিন কামাই হওয়ার পর রক্তচাপ রীতিমত বেড়েই গেছে। বড্ড সাহস বেড়েছে আজকাল,আসুক এবার ,দেখাবো মজা। সাতদিন ছুটির পর বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে এলো শেষ পর্যন্ত জ্যোতির মা। গেট খুলে দিতেই ওর চেহারা দেখে ঘাবড়ে গেলাম। আমি কিছু বলার আগেই ও বলতে লাগলো , “বৌদি, ছেলেডার কি হয়েছে জানি নে গো,বাঁচবে কি না কে জানে। খুব জ্বর,শুধু বমি করে যাচ্ছে আজ চারদিন ধরে ।মাথায় অসহ্য যন্ত্রণা। চার দিন ধরে কোন জ্ঞান নেই। আমার বরেরও জ্বর হয়েছে। আগে আমার হল ,তারপর ছেলে আর বরের। ছেলেডারে হসপিডালে ভর্তি করি নিল। আজ আমি এক বেলা কাম করি চলি যাবো তো চলবে? দেখো না ওপরের বৌদি কাজের থেকে ছাড়িয়ে দিল ।বলল গে আর আসতি হবে না তোকে। বিশ্বাস কর আমার ছেলেডার বড্ড শরীল খারাব । ”

আমার বুকের ভেতরটা মোচড় দিয়ে উঠল। বুঝলাম সেও মা, আমিও মা। ছেলে হসপিটালে আর শুধু কাজ চলে যাওয়ার ভয়ে এ অবস্থায় ও কাজে এসেছে। ওকে বললাম ,“শিগগির আগে কাপড় টা ছাড়,নাহলে এরপর তোকেও হাসপাতালে ভর্তি হতে হবে। ” ওকে আমার একটা পুরনো কাপড় দিলাম। কিছু টাকা হাতে গুঁজে দিয়ে আর ঘরের কিছু শুকনো খাবার প্যাকেটে করে ভরে দিয়ে বললাম,“এক্ষুণি ছেলের কাছে যা। যতদিন অবধি ছেলে সুস্থ না হয়ে বাড়ি ফেরে কাজে আসবি না। আর একদম চিন্তা করবি না, ভগবানের উপর ভরসা রাখ, দেখবি খুব তাড়াতাড়ি সুস্থ হয়ে ছেলে বাড়ি ফিরে আসবে। আরে আমি আছি তুই কিচ্ছু চিন্তা করিস না।”

জ্যোতির মা ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইল।তারপর বলল, “ বৌদি আর কামাই করলে আমায় কেউ কাজে রাকবে নে গো। ” আমি ওকে আস্বস্ত করে বললাম, “ সবাই রাখবে, আর যদি না রাখে আমি তোকে যতদিন নতুন কাজ না পাবি পাঁচ বাড়ি কাজ করে যা পাস পুরো টাকাটা দেবো।তাহলে হবে তো? ছেলে বাড়ি ফিরুক তারপর আসিস,ওর এখন তোকে দরকার। তুই বাড়ি ছেড়ে, বাকিদের ছেড়ে কি করে এখন কাজ করবি বল? কোন চিন্তা করিস না, আমি আছি। ”

সেদিন জ্যোতির মায়ের চোখের কোণটা ছল ছল করে উঠেছিল । করুণ দৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে রইল ঐ পুরনো কাপড় টা বুকে করে। সেদিন আমি ছিলাম ওর ভ্যালেন্টাইন আর ঐ ক’টা টাকা ছিল ওর ভ্যালেন্টাইন গিফট।

তখন আমি কলেজে পড়ি। রবিবারের সকাল, রাস্তাঘাট তুলনামূলকভাবে ফাঁকা। আমাকে এয়ার ইন্ডিয়ার একটি চাকরির পরীক্ষা দিতে যেতে হবে ক্যামাক স্ট্রিটে। সকাল আটটায় ভি আই পি রোড মোড়ে দাঁড়িয়ে আছি। বাবা যে বাস নম্বর গুলোর কথা বলে দিয়েছেন ,সেগুলোর অপেক্ষায়। রাস্তাঘাট সম্পর্কে তেমন অভিজ্ঞতা নেই। কলেজস্ট্রিট অবধিই আমার যাতায়াত ।এর বাইরে বিশেষ কিছুই চিনি না। যাইহোক বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম দু-একজন করে এসে বাসস্ট্যান্ডে দাঁড়াচ্ছেন। হঠাৎ এয়ারপোর্টের দিক থেকে ধেয়ে আসা একটা ইট বোঝাই লরি এসে ব্রেক ফেল করে পুরো ভি আই পি রোডের মুখে লাইটপোস্টে ধাক্কা মেরে উল্টে গেলো। ড্রাইভার আর খালাসী স্পটডেড। রাস্তার একদিক বন্ধ করে দেওয়া হল, অন্যদিক ওয়ানওয়ে তুলে দিয়ে সব যানবাহনের জন্য খুলে দেওয়া হল। যারা নিত্যযাত্রী হয়ত বহুবার এমন ধরণের অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হন,কিন্তু আমার কাছে একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা। তার ওপর আমি অসীম সাহসী এসব ব্যাপারে, জোরে হর্ণ বাজালেই আমার পিলে চমকে যায়। তায় কিনা লাইটপোস্ট উল্টে ড্রাইভারসহ আরেক জন মৃত ,লরিটিও উল্টে রয়েছে। বয়সটা একটু বেশী হলে হার্ট এটাকের যাবতীয় উপাদান আমার মধ্যে ছিল,মাইল্ড একটা অ্যাটাক হতেই পারতো। এমতাবস্থায় আমার পাশের আর এক বাসযাত্রী যিনি আমার সাথেই অপেক্ষা করছিলেন বোধহয় আমার অবস্থা কিছুটা আন্দাজ করতে পেরেছিলেন। এগিয়ে এসে জিজ্ঞাসা করলেন কোথায় যাবো। তাকে সবিস্তারে বলায় তিনি আমার সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে বাসে চাপিয়ে দিলেন। মায় টিকিটি টি পর্যন্ত কাটতে দিলেন না। উনিও ওই পথেই যাচ্ছিলেন। সেদিন তিনিই ছিলেন আমার ভ্যালেন্টাইন। হ্যাঁ সেদিন ওনার কাটা টিকিটটাই ছিল আমার ভ্যালেন্টাইন গিফট । এ যাত্রায় হার্ট অ্যাটাক টা থেকে উনি বাঁচিয়ে নিয়েছিলেন। আর সময়টাও মোটেই বসন্ত নয়, ছিল গ্রীষ্মের মাঝামাঝি।


বেশ ক’বছর আগের কথা। আমার শ্বশুর মশাই ছিলেন যেমন রাশভারী মানুষ তেমনি রসিক। কিন্তু বড্ড অভিমানী। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাঁর রাগটা গিয়ে পড়তো সন্তান বা স্ত্রীর ওপর। কারনগুলো আজও সকলেরই অজ্ঞাত। হয়ত বাড়ির কোন সদস্য বেল টিপেছে আর উনি দরজা খুলে দিলেন। সে যদি আগুন্তুক হন এ যাত্রায় বেঁচে গেলেন আর যদি সত্যি বাড়ির কোন সদস্য হন অথচ ওঁনাকে দেখে যদি না হেসে বা না কথা বলে বাড়ির ভিতর ঢুকে যান,ব্যস তাহলে হয়ে গেলো। ঘরে বেশ কিছুদিনের জন্য যুদ্ধকালীন তৎপরতা। কালবৈশাখীর বিকেলের মত ঝড় আসার পূর্বাভাস উনি বাড়িতে যতক্ষণ আছেন। কারণ ওঁনাকে কেউ বিশেষ একটা মূল্য দিচ্ছেন না,এটাই ওঁনার ধারণা। একসময় এমনি আবহাওয়া চলছে,এবার অভিমানের খাতায় ওঁনার ছেলেরই নাম। আমিও কিছুটা ধাতস্থ হয়ে গেছি এই পরিবেশে। এবারে দু জনেই গো ধরে রয়েছে,ভাঙ্গবে তবু মচকাবে না। শ্বশুর মশাই দেখলেন এবার অভিমানের পালাটা একটু বেশীদিন ধরেই টানা হয়ে যাচ্ছে। কি করা যায়? ব্যস ,আমায় আর শাশুড়ি মাকে ডেকে বললেন ,“আমার আর কি,তোমার ছেলের কাছে আমি থাকবোও না ,তোমার ছেলে যেমন খুশি থাকুক গিয়ে,আমি কোনদিন দেখতেও যাবো না।” বুঝলাম শাশুড়িমাকে উদ্দেশ্য করে বললেও ইঙ্গিতটা আমারই দিকে। বছর খানিকের পুরনো হয়ে যাবার দরুণ গলায় একটু আওয়াজ বের হওয়া শুরু হয়েছে। বললাম,“ বাবা, বাড়ি কখনো ছেলেদের হয় না,নামটা তাদের থাকে বাড়িটাকে ঘর মেয়েরাই বানায়। যেমন এই বাড়িটা মায়েরই। তাঁর জন্যই আমারা সবাই আছি। যদি কোনদিন তোমার ছেলের বাড়ি হয়ও , সেখানে তোমাকে আমার সাথেই থাকতে হবে। তোমার তো দ্বিতীয় ছেলেও নেই যে তার বাড়িতে থাকার কথা ভাববে। কাজেই আমার সাথে ছাড়া অন্য কোথাও থাকবে সেই ভাবনা ভুলে যাও। যা ইচ্ছে কর , কিন্তু থাকতে তোমায় আমার সাথেই হবে। ” এই বৃদ্ধ বয়সে এই ভরসাটাই বোধহয় তিনি খুঁজছিলেন। এই সময় যে অনিশ্চয়তাবোধ কাজ করে তাথেকে তিনি বোধহয় কিছুটা হলেও মুক্ত হতে পারলেন। ব্যস্‌, পরের দিন থেকেই ঘরের আবহাওয়া বদল। সেদিন আমার শ্বশুরের ভ্যালেন্টাইন ছিলাম আমি। আর উপহারও পেয়েছিলাম ।পরের দিন অফিস ফেরত শ্বশুরমশাই এক বাক্স হলদিরামের সোনপাপড়ি নিয়ে এসেছিলেন । সেটাই ছিল আমার গিফট। পরে শাশুড়িমার কাছে শুনেছিলাম বাবা ইতিপূর্বে কোনদিনই বাড়িতে কখন উপহার বা রাস্তা থেকে কিছু কিনে আনতেন না,সেদিনের সেই সোনপাপড়িই ছিল তাঁর আনা প্রথম ভেট। সেই দিনটি অনেকবার এরপর আলোচিত হয়েছিল। সময়টা বসন্ত ছিল কি না আজ আর তা মনে নেই।


আমার এক প্রতিবেশী আছেন। সারাদিন বাড়িতে তিনি একা থাকেন,বিপত্নীক। তাঁর পুত্রবধূ , নাতি-নাতনী ,পুত্র সকলেই চাকুরিরত। বাড়ি পাহারা দেওয়া ,কাজের লোকেদের উপস্থিতির তদারকি করার পর যখনই তিনি সময় পান আমার কাছে এসে একটু বসেন। তাঁর বয়স নব্বইয়ের কাছাকাছি। চোখে আজকাল বড় একটা ভালো দেখতে পান না,কিন্তু কানটি ঠিক আছে এখনো। এখানে নতুন পরিবেশে তাঁর সঙ্গী-সাথী কেউ না থাকায় আমায় উনি অবসরের সঙ্গী করে নিয়েছেন। তাঁর আলোচনাতে কখন মোদী সরকারের উত্থান,কখন আম আদমীর নতুন প্রজেক্ট,কখন তাঁর যৌবনের দিনের জীবন সংগ্রাম,কখন দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি এমনকি তাঁর কোষ্ঠকাঠিন্যজনিত নানা সমস্যাও আলোচনার বিষয়বস্তু থাকে। দু’জনে মিলে বসে চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে কখন সময় পেরিয়ে যায়। তখন উনিই আমার ভ্যালেন্টাইন।ওঁনার চোখে-মুখে অসীম প্রশান্তি শুধুমাত্র এই সময়টুকু ওঁনাকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য, কৃতজ্ঞতাবোধ জানাতেও কার্পণ্য নেই এতটুকু। আমি লজ্জিতবোধ করি কিন্তু আমার যে পরম পাওয়া আর আমার দেওয়া ঐ এককাপ চা-ই যে ওনার ভ্যালেন্টাইন গিফট তা প্রতিটি মুহুর্ত প্রমাণ করে দেয়।


সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলে আমার কাছের মানুষটি যখন ঘরে ফেরে তখন আমার এই ভ্যালেন্টাইনের গল্প করি আমি তার কাছে। তিনি বলেন,তোমার এই বন্ধুত্ব অক্ষয় হোক। সত্যি তুমিই ওঁনার প্রকৃত বন্ধু। তখন আমার এই কাছের মানুষটিই আমার ভ্যালেন্টাইন হয়ে ওঠে। তার চোখে আমার জন্য যে গভীর ভালবাসা, বিশ্বাস আর নির্ভরশীলতা দেখি তা আমার কাছে পরম পাওনা। অজান্তেই বসন্তের মাতাল হাওয়া চারপাশে বয়ে যায়, অজানা আনন্দে মনে আসে এক স্নিগ্ধ তৃপ্তিবোধ।


আমার কাছে ভ্যালেন্টাইন ডে কখন ,কিভাবে ,কোথা দিয়ে আসে আমি টেরও পাই না। কিন্তু মনের গভীরে এক আনন্দ রসসুধা বর্ষণ করে শীতের রুক্ষ মাটিকে সিক্ত করে তোলে।



********************************************


bengali@pratilipi.com
080 41710149
সোশাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন
     

আমাদের সম্পর্কে
আমাদের সাথে কাজ করুন
গোপনীয়তা নীতি
পরিষেবার শর্ত
© 2017 Nasadiya Tech. Pvt. Ltd.