বসন্ত এসে গেছে

বসন্ত এসে গেছে

21শে ফেব্রুয়ারি, শনিবার, সকাল আটটা-

একনাগাড়ে বেশ কিছুক্ষণ বেজে চলা ফোনটা সপ্তর্ষি রিসিভ করতেই ওপাশ থেকে ভেসে এল জয়ীতার গলা- "ওই, কালকের দেখাশোনায় পাত্রপক্ষর আমাকে পছন্দ হয়েছে, বিয়েতে রাজি। তবে ছেলের অফিসে বেশি ছুটি নেই বলে আপাতত কেবল রেজিস্ট্রি হবে। এক সপ্তাহ পর রেজিস্ট্রির ফাইনাল ডেট জানাবে বলেছে। মা-বাপি খুব খুশি।" "আর তুই? " পাল্টা প্রশ্ন করল সপ্তর্ষি। "খুবববব., তুই না?" বাচ্চাদের মত হেসে উত্তর দিল জয়ীতা। "হুম, আজ অফিস আসছিস তো? আয় তাড়াতাড়ি কথা হবে। আমাকে এখন বেরোতে হবে।রাখছি ফোনটা। বাই।"- একনাগাড়ে কথাগুলো বলে ফোনটা কেটে দিল সপ্তর্ষি। মাথাটা কেমন ভারি ভারি লাগছে তার।

দুপুর একটা-

রোজ দুপুরে ক্যান্টিনের এই জায়গাটা কিছুক্ষণের জন্য ব্যাস্ত হয়ে পড়ে অফিস স্টাফদের আনাগোণায়। রোজকার অভ্যাস মতই ওরা আজও কোণের একটা টেবিলে মুখোমুখি বসেছে। প্লেটে প্রায় ঠান্ডা হয়ে যাওয়া ভেজ চাউমিন চামচে করে নাড়তে নাড়তে প্রশ্নটা জয়ীতাকে করেই ফেললো সপ্তর্ষি, "বিয়েটা তুই কি তাহলে করেই ফেলছিস? " "অফকোর্স, হোয়াই নট ?" হাতের ট্যাবটা থেকে মুখ না তুলেই উত্তর দিল জয়ীতা। এইসময় রোজ সে ফেবু স্ট্যাটাস চেক করে। সপ্তর্ষি ওর মুখের দিকে তাকাল একবার। জয়ীতার ঠোঁটের ঠিক উপরে জমে আছে মুক্তবিন্দুর মত সাত-আটটা জলের ফোঁটা। চোখ নামিয়ে আবার চাউমিনে মন দিল সে।

বিকাল চারটে-

"আজ জেনারেলে উঠব। অপেক্ষা করিস।" চারটে নাগাদ চ্যাটবক্সে ঢুকল জয়ীতার মেসেজটা। "ওকে।" বলে অফলাইন হল সপ্তর্ষি। হাতে আর খুব বেশি সময় নেই। অনেক কাজ বাকি আছে তার।

সন্ধ্যা ছটা দশ-

"আজ ল্যেডিস স্পেশাল ধরলি না কেন?" ছটা পাঁচের ব্যান্ডেল লোকালের শেষ কামরার একটা সিটে বসে জয়ীতাকে প্রশ্ন করল সপ্তর্ষি। "তোর সাথে বাড়ি ফেরার ইচ্ছা হল তাই"- জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে বলল জয়ীতা। ট্রন তখন লিলুয়া ছাড়িয়ে সামান্য গতি নিয়েছে। জানলা দিয়ে আসা হাওয়ায় এলোমেলো হয়ে উড়ছে জয়ীতার খোলা চুল।

রিষড়া পার হতেই উঠে দাঁড়াল জয়ীতা। এবার নামতে হবে তাকে। যাওয়ার আগে হাতটা একবার সপ্তর্ষির কাঁধে রাখল সে। "কিছু বলবি?" জয়ীতার মুখের দিকে তাকিয়ে চুপ করে থাকল সপ্তর্ষি। উত্তর দিতে পারলোনা কিছু। ইতিমধ্যে ট্রেন গতি কমিয়ে শ্রীরামপুর স্টেশানে ঢুকেছে। জয়ীতাকে নামতে হবে এবার। চ্যানেল ছেড়ে ধীর পায়ে গেটের দিকে এগিয়ে গেল ও। সেখানে তখন বেশ ভিড়।।

রাত-দশটা-

"কালকে এগারোটা নাগাদ ভিক্টোরিয়ার গেটে দাঁড়াস, আমি অপেক্ষা করব। আর পারলে ওই ব্লু শার্টটা পড়ে আসিস। ঘুম পাচ্ছে। আমি এলাম।" "আর তুইও পারলে নুপূরটা......" টিং করে জয়ীতার ম্যেসেজটা হোয়াটসএপে ঢুকতেই তড়িঘড়ি রিপ্লাই দিল সপ্তর্ষি। "হুমম" বলে তাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই অফলাইন হয়ে গেল জয়ীতা। রিপ্লাই টাইপ করতে গিয়েও থেমে গেল সপ্তর্ষি। চ্যাটবক্সের কোণে তখন লেখা উঠছে, "লাস্ট সিন টু মিনিটস এগো।" জয়ীতা ঘুমিয়ে পড়েছে।

22শে ফেব্রুয়ারি, রবিবার, সকাল সাড়ে এগারোটা-

"ঠিক সময়ে আসা মানে যে এগারোটার বদলে সাড়ে এগারোটা নয় এটা কবে বুঝবি তুই?" টিকিট কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে বেশ রেগেই কথাগুলো বলল জয়ীতা। "আরে কি করব? ট্রেন হাওড়া ঢুকতেই পনেরো মিনিট ঝুলিয়ে দিল....." "থাক ডান-বাম ছেড়ে অজুহাত আর নাইবা দেখালি।" সপ্তর্ষির কথা শেষ করার আগেই তাকে থামিয়ে দিল জয়ীতা। "দাঁড়া, টিকিট কেটে আসছি।" পকেট থেকে মানিব্যাগটা বার করতে করতে বলল সপ্তর্ষি। "থাক, অত উপকার করতে হবে না, কেটেছি আমি, এবার দয়া করে ভিতরে চলুন" -একরাশ বিরক্তি মাখানো কথাগুলো বলে হঠাৎই সপ্তর্ষির হাতটা নিজের মুঠোয় ধরে গেটের দিকে এগিয়ে চলল জয়ীতা। মন্ত্রমুগ্ধের মত এগিয়ে যেতে যেতে একটা ব্যাপার পরিষ্কার বুঝতে পারল সপ্তর্ষি, রোজকার জিন্স-কূর্তিতে অফিস যাওয়া মেয়েটার সাথে আজকের শিফনের সাদা চুড়িদার পরা মেয়েটার বিশেষ কোনও মিল নেই।

গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকেই বাঁ দিকে লেকের ধারে একটা বেঞ্চে বসল দুজনে। এ যায়গাটা বেশ নিরিবিলি। যদিও রবিবার হওয়ায় আশেপাশের ভিড়টাও নেহাৎ কম নয়। তবু এই ভিড় মাঝেই প্রিয়জনের সাথে একটু একলা হতে এসেছে অনেকে। সপ্তর্ষির মনে পড়ে গেল ওর ছোটবেলার কথা, সেবার বাবা-মায়ের সাথে কলকাতা ঘুরতে এসে প্রথম ভিক্টোরিয়া এসেছিল সে। "কষ্ট হচ্ছেনা?" জয়ীতার প্রশ্নে হুঁশ ফিরল সপ্তর্ষির। "কিসের জন্য?" নির্লিপ্ত ভাবে উত্তর দিল ও। দুরে গাছের ফাঁকে তখন একটা অচেনা পাখি ডেকে যাচ্ছে বহুক্ষণ ধরে। লেকের স্থির জলটা শান্ত। শীত শেষের নতুন রোদ এসে পড়েছে তাতে। ইতিউতি গাছ থেকে হাওয়ায় ঝরে পড়ছে লালচে হয়ে যাওয়া শুকনো পাতা। "কাল রাতে হঠাৎ অফ হয়ে গেলি কেন?" বেশ কিছুক্ষণের মৌনতা ভেঙ্গে প্রশ্ন করল সপ্তর্ষি। "ঝামেলা হয়েছিল বাড়িতে মায়ের সাথে, কেঁদেছিলাম। মাথা ব্যাথা করছিল।" মাথা নিচু করে উত্তর দিল জয়ীতা। ~"কেন? আবার কি হল? তুই তো বললি সবাই খুশি আছে..." -"আমি বিয়েটা করবনা বলে দিয়েছি"। ~"মানে? কি সব বলছিস? এই তো কাল বললি করবি.." কিছুটা অবাক হয়েই বলল সপ্তর্ষি। "হুমম, আই নো দ্যাট, লোকটা হাই এডুকেটেড। ভাল পয়সা আছে। বিয়ের পর আমি স্টেটসে সেটেলড হতে পারতাম। এত কষ্ট করে কলসেন্টারের চাকরিটাও করতে হত না আমাকে। বাপি-মাও খুশি হতেন খুব। কিন্তু আফটার অল আমি সপ্তর্ষি স্যান্যালকে ছাড়া সারা জীবন থাকতে পারব না। তাই বিয়েটায় না করে দিয়েছি। বল বিয়ে করবি আমায়? " একনাগাড়া সপ্তর্ষির চোখের দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বলে থামল জয়ীতা। এখন কার্যত হাঁপাচ্ছে সে। কথাগুলো শুনে নিজের কানকেই প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিল না সপ্তর্ষি। সব যেন স্বপ্ন মনে হচ্ছে তার। মাথাটা বোধহয় অল্প একটু ঘুরছে। পায়ের তলার মাটি কি একটু হলেও কেঁপে উঠল? ঘোরটা কাটল জয়ীতারই কথায়। "কি হল? উত্তর দিলি না কেন।?" নাহ, আর পারল না সে। গত দুদিন ধরে বাঁধ দেওয়া চোখের জল এবার উপচে উঠল তার দু-চোখে। ফুঁপিয়ে বাচ্চাদের মত কেঁদে উঠল সপ্তর্ষি। যে কিনা সবসময় জয়ীতার কাছে নিজেকে বেশি ম্যাচিওর বলে দাবি করে। "কি রে বোকা? কেঁদে ফেললি কেন? উফ্ পারা যায়না তোকে নিয়ে আর।" সপ্তর্ষিকে জড়িয়ে ধরে ওর বুকে মাথাটা রাখতে রাখতে কথাগুলো বলল জয়ীতা। "এতটা ভালবাসিস আমায়?" কোনওরকমে ফোঁপানি বন্ধ করে বলল সপ্তর্ষি। "হুম রে, এতটাই ভালোবাসি" সপ্তর্ষির গলাটা জড়িয়ে চোখ বুঝে বলল জয়ীতা। স্বরটা তখন বেশ গাঢ় তার। ইতিমধ্যে ঘন হয়েছে দুজনেরই নিশ্বাস। বুকের ভিতর কি যেন চলছে একটা। সময়টাও থমকে গেছে যেন কিছুক্ষণ। চোখ বুঝল জয়ীতা। ক্রমশ আপনা-আপনিই একসাথে ঠোঁটজোড়া মিলে গেল দুজনের। দুরে তখন গাছের আড়ালে একটা কোকিল ডেকে যাচ্ছে একনাগাড়ে। বাগানের ফুলগুলো একটু বেশিই রঙিন লাগছে যেন। শেষমেশ বসন্ত এসে গেছে।

রাত-দশটা-

"কালকে এগারোটা নাগাদ ভিক্টোরিয়ার গেটে দাঁড়াস, আমি অপেক্ষা করব। আর পারলে ওই ব্লু শার্টটা পড়ে আসিস। ঘুম পাচ্ছে। আমি এলাম।" "আর তুইও পারলে নুপূরটা......" টিং করে জয়ীতার ম্যেসেজটা হোয়াটসএপে ঢুকতেই তড়িঘড়ি রিপ্লাই দিল সপ্তর্ষি। "হুমম" বলে তাকে আর কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই অফলাইন হয়ে গেল জয়ীতা। রিপ্লাই টাইপ করতে গিয়েও থেমে গেল সপ্তর্ষি। চ্যাটবক্সের কোণে তখন লেখা উঠছে, "লাস্ট সিন টু মিনিটস এগো।" জয়ীতা ঘুমিয়ে পড়েছে।

22শে ফেব্রুয়ারি, রবিবার, সকাল সাড়ে এগারোটা-

"ঠিক সময়ে আসা মানে যে এগারোটার বদলে সাড়ে এগারোটা নয় এটা কবে বুঝবি তুই?" টিকিট কাউন্টারের সামনে দাঁড়িয়ে বেশ রেগেই কথাগুলো বলল জয়ীতা। "আরে কি করব? ট্রেন হাওড়া ঢুকতেই পনেরো মিনিট ঝুলিয়ে দিল....." "থাক ডান-বাম ছেড়ে অজুহাত আর নাইবা দেখালি।" সপ্তর্ষির কথা শেষ করার আগেই তাকে থামিয়ে দিল জয়ীতা। "দাঁড়া, টিকিট কেটে আসছি।" পকেট থেকে মানিব্যাগটা বার করতে করতে বলল সপ্তর্ষি। "থাক, অত উপকার করতে হবে না, কেটেছি আমি, এবার দয়া করে ভিতরে চলুন" -একরাশ বিরক্তি মাখানো কথাগুলো বলে হঠাৎই সপ্তর্ষির হাতটা নিজের মুঠোয় ধরে গেটের দিকে এগিয়ে চলল জয়ীতা। মন্ত্রমুগ্ধের মত এগিয়ে যেতে যেতে একটা ব্যাপার পরিষ্কার বুঝতে পারল সপ্তর্ষি, রোজকার জিন্স-কূর্তিতে অফিস যাওয়া মেয়েটার সাথে আজকের শিফনের সাদা চুড়িদার পরা মেয়েটার বিশেষ কোনও মিল নেই।

গেট দিয়ে ভিতরে ঢুকেই বাঁ দিকে লেকের ধারে একটা বেঞ্চে বসল দুজনে। এ যায়গাটা বেশ নিরিবিলি। যদিও রবিবার হওয়ায় আশেপাশের ভিড়টাও নেহাৎ কম নয়। তবু এই ভিড় মাঝেই প্রিয়জনের সাথে একটু একলা হতে এসেছে অনেকে। সপ্তর্ষির মনে পড়ে গেল ওর ছোটবেলার কথা, সেবার বাবা-মায়ের সাথে কলকাতা ঘুরতে এসে প্রথম ভিক্টোরিয়া এসেছিল সে। "কষ্ট হচ্ছেনা?" জয়ীতার প্রশ্নে হুঁশ ফিরল সপ্তর্ষির। "কিসের জন্য?" নির্লিপ্ত ভাবে উত্তর দিল ও। দুরে গাছের ফাঁকে তখন একটা অচেনা পাখি ডেকে যাচ্ছে বহুক্ষণ ধরে। লেকের স্থির জলটা শান্ত। শীত শেষের নতুন রোদ এসে পড়েছে তাতে। ইতিউতি গাছ থেকে হাওয়ায় ঝরে পড়ছে লালচে হয়ে যাওয়া শুকনো পাতা। "কাল রাতে হঠাৎ অফ হয়ে গেলি কেন?" বেশ কিছুক্ষণের মৌনতা ভেঙ্গে প্রশ্ন করল সপ্তর্ষি। "ঝামেলা হয়েছিল বাড়িতে মায়ের সাথে, কেঁদেছিলাম। মাথা ব্যাথা করছিল।" মাথা নিচু করে উত্তর দিল জয়ীতা। ~"কেন? আবার কি হল? তুই তো বললি সবাই খুশি আছে..." -"আমি বিয়েটা করবনা বলে দিয়েছি"। ~"মানে? কি সব বলছিস? এই তো কাল বললি করবি.." কিছুটা অবাক হয়েই বলল সপ্তর্ষি। "হুমম, আই নো দ্যাট, লোকটা হাই এডুকেটেড। ভাল পয়সা আছে। বিয়ের পর আমি স্টেটসে সেটেলড হতে পারতাম। এত কষ্ট করে কলসেন্টারের চাকরিটাও করতে হত না আমাকে। বাপি-মাও খুশি হতেন খুব। কিন্তু আফটার অল আমি সপ্তর্ষি স্যান্যালকে ছাড়া সারা জীবন থাকতে পারব না। তাই বিয়েটায় না করে দিয়েছি। বল বিয়ে করবি আমায়? " একনাগাড়া সপ্তর্ষির চোখের দিকে তাকিয়ে কথাগুলো বলে থামল জয়ীতা। এখন কার্যত হাঁপাচ্ছে সে। কথাগুলো শুনে নিজের কানকেই প্রথমে বিশ্বাস করতে পারছিল না সপ্তর্ষি। সব যেন স্বপ্ন মনে হচ্ছে তার। মাথাটা বোধহয় অল্প একটু ঘুরছে। পায়ের তলার মাটি কি একটু হলেও কেঁপে উঠল? ঘোরটা কাটল জয়ীতারই কথায়। "কি হল? উত্তর দিলি না কেন।?" নাহ, আর পারল না সে। গত দুদিন ধরে বাঁধ দেওয়া চোখের জল এবার উপচে উঠল তার দু-চোখে। ফুঁপিয়ে বাচ্চাদের মত কেঁদে উঠল সপ্তর্ষি। যে কিনা সবসময় জয়ীতার কাছে নিজেকে বেশি ম্যাচিওর বলে দাবি করে। "কি রে বোকা? কেঁদে ফেললি কেন? উফ্ পারা যায়না তোকে নিয়ে আর।" সপ্তর্ষিকে জড়িয়ে ধরে ওর বুকে মাথাটা রাখতে রাখতে কথাগুলো বলল জয়ীতা। "এতটা ভালবাসিস আমায়?" কোনওরকমে ফোঁপানি বন্ধ করে বলল সপ্তর্ষি। "হুম রে, এতটাই ভালোবাসি" সপ্তর্ষির গলাটা জড়িয়ে চোখ বুঝে বলল জয়ীতা। স্বরটা তখন বেশ গাঢ় তার। ইতিমধ্যে ঘন হয়েছে দুজনেরই নিশ্বাস। বুকের ভিতর কি যেন চলছে একটা। সময়টাও থমকে গেছে যেন কিছুক্ষণ। চোখ বুঝল জয়ীতা। ক্রমশ আপনা-আপনিই একসাথে ঠোঁটজোড়া মিলে গেল দুজনের। দুরে তখন গাছের আড়ালে একটা কোকিল ডেকে যাচ্ছে একনাগাড়ে। বাগানের ফুলগুলো একটু বেশিই রঙিন লাগছে যেন। শেষমেশ বসন্ত এসে গেছে।

================================================

bengali@pratilipi.com
080 41710149
সোশাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন
     

আমাদের সম্পর্কে
আমাদের সাথে কাজ করুন
গোপনীয়তা নীতি
পরিষেবার শর্ত
© 2017 Nasadiya Tech. Pvt. Ltd.