অভিঘাত

-হ্যালো – এ্যমারজেন্সি কন্ট্রোল স্পিকিং প্লিজ্‌ – হ্যালো –

-বলুন, শুনছি।

-নমস্কার স্যার। একটা সিরিয়াস অ্যাকসিডেন্ট হয়ে গেছে, - নক্‌ড ডাউন অর রান-ওভার কেস। স্পট - পিয়ালি ফ্ল্যাগ, রিপ্যিট,- পিয়ালি ফ্ল্যাগ। ভিক্‌টিম – অন ডিউটি বুকিং সুপারভাইজার। অফিসিয়্যালি রেকর্ডেড নেম – সৈয়দ মইনুল হাসান। টাইম অ্যাজ রিপোর্টেড – টেন পাস্ট সেভেন্‌টিন এ.এম.। ইনজ্যুরি – ভেরি গ্র্যেভ, রিপ্যিট,- ভেরি গ্র্যেভ। সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষের জরুরি নির্দেশ অনুযায়ী আপনাকে জানানো হোল পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এগারোটা তিন মিনিটে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী ভিক্‌টিম জীবিত এবং বাই রোড-ট্র্যাফিক বিভাগীয় হসপিটালে আনা হচ্ছে। এছাড়া অন্যান্য রিলেটেড খবরের জন্য আপনি কাইন্ডলি....’

অরণ্য মোবাইল ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিল। অন্য একটি ইউনিটের কাজের তদারকিতে ব্যস্ত ছিল সে। সেসব তৎক্ষণাৎ স্থগিত করে দ্রুত কাছাকাছির স্টেশনে চলে এলো। কালো ভারি মেঘে তার মন আচ্ছন্ন হয়ে গেছে। আবার দুর্ঘটনা! আবার সেই অকস্মাৎ মৃত্যুর বীভৎস হানা!

এমন অনেকবার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনও স্বাভাবিক ভাবে এইসব সংবাদ গ্রহণে সে অভ্যস্ত হতে পারলো কই? দুর্ঘটনার সংবাদ প্রতিবারেই তাকে সজোরে ধাক্কা দেয় – তার অনেক ভিতরে গিয়ে কোথাও ধাক্কাটা আরো জোরে লাগে। অবশ্য এটা এখনও পর্যন্ত মৃত্যুর ঘটনা নয়, তবুও ধাক্কাটা মোটেই এড়াতে পারলো না সে।

মইনুলকে ভালোভাবেই চেনে অরণ্য। খানদানি মুসলমান পরিবারের কেতাদুরস্ত হাসিখুশি বিশালদেহী এক মানুষ। কাজে-কর্মে খুব না হলেও মোটামুটি ভালোই। কিন্তু একজন অন ডিউটি বুকিং সুপারভাইজার কীভাবে যে নক্‌ড ডাউন হতে পারে তা কিছুতেই সে ভেবে উঠতে পারলো না। তবে কী আসলে এটা কোন সুইসাইডাল মুভমেন্ট ছিল? অবশ্য এই মুহূর্তে সেসব প্রসঙ্গে ঢুকতে যাওয়ার তেমন কোন প্রয়োজন নেই।

হাসপাতালে পৌঁছে এদিক-ওদিক তাকিয়ে কয়েক জনকে দেখে অরণ্য বুঝে গেল মইনুলকে সেখানে আনা হয়ে গেছে। দ্রুতপায়ে প্রথমে এ্যমারজেন্সিতে ঢুকলো সে। প্রাথমিক খবর এখানেই পাওয়া যাবে। সামনেই অ্যাপ্রন পরা চেনা-মুখ ডাক্তার, -

-ওই কেসটার খবর কিছু বলুন ডক্টর – ইনজ্যুরি কতটা?

-গ্র্যেভ ইনজ্যুরি, হাঁটুর খানিকটা ওপর থেকে ফিম্যর বোন্‌ স্ম্যাশড্‌ হয়ে ডান-পাটা প্রায় পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন। প্রচুর ব্লিডিং হয়েছে। গলার মধ্যে হঠাৎ কঠিন শুষ্কতা টের পায় অরণ্য। ঢোঁক গেলার ব্যর্থ চেষ্টা করতে করতে বলে,-

-ওভার অল কন্ডিশ্যন কেমন বুঝলেন?

-সেটাই তো আশ্চর্যের, - নট ব্যাড! জানেন তো, এত মারাত্মক ইনজ্যুরি – তার ওপর অনেকটা টাইম ওয়েস্টেড্‌ হয়ে গেছে। কিন্তু এর পরেও পেশেন্টের এখনও দিব্যি সেন্স আছে! ইমিডিয়েট সার্জারির জন্য ও.টি.তে রেফার করা হয়ে....’

আর শুনলো না অরণ্য। ছুটলো তিনতলায় অপারেশন থিয়েটারের দিকে। লিফটের জন্য অপেক্ষা করলো না সে। সিঁড়ির ধাপগুলো টপকে টপকে উঠতে লাগলো। এ্যমারজেন্সির ডাক্তারের শেষের মন্তব্যটা তার কাছে বেশ ভয়ের ছিল।

হাঁফাতে হাঁফাতে অপারেশন থিয়েটারের সামনে পৌঁছে গেল সে। অজানা কোন কারণে মইনুলকে তখনও ভেতরে নেওয়া হয়নি। সামনের চারপাঁচ জনকে ঠেলে সরিয়ে সে মইনুলের একেবারে কাছে চলে গেল। স্ট্রেচারে রক্তমাখা প্রচুর কাপড়-চোপড়ের মধ্যে মইনুল শুয়ে আছেন। গলা পর্যন্ত একটা রঙিন চাদরে ঢাকা। সেটাও ছোপ ছোপ ভেজা – রক্তে। অরণ্যকে দেখে দুর্বল কিন্তু বেশ স্পষ্ট গলায় মইনুল বলে উঠলেন, -

-স্যার, পা-টা, আমার পা-টাকে যদি বাঁচানো যায় – প্লিজ স্যার! আপনি দয়া করে ও.টি.-র ডাক্তারদের আমার পা-টাকে বাঁচাতে ভালোভাবে চেষ্টা করতে বলবেন। আপনি নিজে যদি একবার বিশেষভাবে ওঁদের বলে দেন তাহলে খুব....’

মইনুলের কথা শেষ হবার আগেই ও.টি.-র সামনের দরজাটা খুলে গেল। ভিতর থেকে চারজন অ্যাপ্রন পরা লোক খুব ব্যস্তভাবে ‘সরুন সরুন’ বলতে বলতে এসে পড়লো। চটপট স্ট্রেচারটা তুলে নিয়ে তারা আবার ভিতরে ঢুকে গেল। অরণ্য খুব ফ্যাল ফ্যাল করে সেদিকে তাকিয়েছিল। ও.টি.র দরজা বন্ধ হয়ে গেল। তবু সে নিতান্ত নির্বোধের মত অকারণে সেইদিকেই তাকিয়ে রইলো।

মৃত্যু যাকে নিয়ে লোফালুফি করেছে এমন মানুষকে বেশ কয়েকবার দেখেছে অরণ্য – দেখতে বাধ্য হয়েছে। দুর্ঘটনার গ্রাসে পড়া মানুষের প্রথমে শারীরিক আঘাত ঘটে যায়। তার কিছুটা পর আসে - অভিঘাত বা শক্‌। সেটা কিছুমাত্র কম মারাত্মক নয়, বরং বেশিই বলা যায়। কারণ তা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রকে গভীর আক্রমণ হানে। ভিক্‌টিমের বাঁচা-মরা নির্ভর করে এই দুটি বিষয়ের মিলিত তীব্রতা কম-বেশি হওয়ার উপর। কিন্তু – কিন্তু মইনুলকে দেখে মনে হল সেই শক্‌টা এখনও আসে নি। তাহলে - তাহলে হয়তো নিজের বলিষ্ঠ স্বাস্থ্য এবং প্রচন্ড জীবনীশক্তির জোরে সেটা তিনি এড়াতে পেরেছেন।

এবার ধীরে ধীরে ভয় বেশ কিছুটা কমে যায় তার – স্বস্তি ফিরতে থাকে মনে। করিডরের দূরের প্রান্তে সরে গিয়ে সেলফোনটা বের করে অরণ্য। বিভিন্ন প্রয়োজনীয় স্থানে প্রাসঙ্গিক নির্দেশ পাঠায়, সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষকে সর্বশেষ পরিস্থিতি জানিয়ে দিতে থাকে। তবে সবক্ষেত্রেই নিজের ব্যক্তিগত অনুভূতির কথাটা বাদ দিয়ে বলে।

চারটে বাজে প্রায়। একটা কুড়ি নাগাদ মইনুলকে ও.টি.-তে নেওয়া হয়েছে। এখনও অপারেশন থিয়েটারের বন্ধ দরজার মাথায় রক্তাক্ত বাল্‌বটা সেই একভাবে জ্বলছে। খুব অসহ্য লাগছে। প্রায় আড়াই ঘন্টা হয়ে গেল সার্জারি চলছে। অবশ্য একটা প্রায় বিচ্ছিন্ন পা-কে ঠিকমত জুড়ে দেওয়ার কাজে অনেকটা সময় লেগে যাবারই কথা। তাছাড়া মইনুলকে প্রচুর রক্ত দিতে হবে। তার জন্যও সময় দরকার। এটা বিভাগীয় হাসপাতাল, তাই রক্ষা। নাহলে এতক্ষণে রক্ত জোগাড় করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হোত।

অরণ্য জানে যে সার্জারি চলাকালীন ভিতর থেকে বাইরে এসে কাউকে কোনকিছু জানানোর নিয়ম নেই – সম্ভবও নয়। কিন্তু অন্য কোনভাবে, যদি অন্য কোনভাবে জানা যেত মইনুলের পা-টা জোড়া লাগানো সম্ভব হয়েছে কিনা বা হচ্ছে কিনা। আরো খানিক ভেবে শেষে ধৈর্যহারা হয়ে পড়ে অরণ্য ও.টি.-র দরজা ঠেলে ভিতরের করিডরে পা দিল। অপারেশন থিয়েটারের বাতানুকূল স্তব্ধ করিডরে পায়চারি করতে থাকা অ্যানেস্‌থেসিয়ার হালকা গন্ধ তাকে শীতল অভ্যর্থনা জানালো।

দরজার পর্দা থেকে শুরু করে কাপড়ের তৈরি যা কিছু আছে এখানে, সবই সবুজ রঙের। এমন কী ডাক্তার, নার্স, অ্যাটেনড্যান্ট সবারই অ্যাপ্রন, মুখের মাস্ক, মাথার টুপি, - সবই সবুজ রঙের। কেন - ?

সবুজ রঙ সজীবতার বা নবীনতার দ্যোতক বলে? সবুজ রঙ দৃষ্টিনন্দক বলে? না কী আসল কারণটা হল - সবুজ রঙের কাপড়ের ওপর যতই রক্ত লাগুক না কেন তা ঠিক ওইরকম বীভৎস লাল রঙের দেখায় না বলে? অরণ্যকে দেখেই করিডরে দাঁড়ানো ওই রকম পোষাকের অচেনা-মুখ একজন যথেষ্ট জিজ্ঞাসু হলেন, -

-কী ব্যাপার? এখানে - কী চাই?

অরণ্য কোন উত্তর দেবার আগেই ও.টি.-র মূল দরজা খুলে আর একজন সবুজধারী বেরিয়ে এলেন। চেনা-মুখ। জেনারেল সার্জিক্যাল ওয়ার্ডের ডক্টর গুপ্ত, -

-ওঃ, আপনি! আসুন, ওই পিয়ালির মইনুল হাসানের কেসটা তো? দেখবেন তো? একটা ফ্যাঁসফেঁসে অচেনা গলায় উত্তর দেয় অরণ্য, -

-হ্যাঁ।

-আসুন তবে। ওই মাস্ক আর ক্যাপ আছে, পরে নিন। জুতো মোজা খুলে ওই চটি একজোড়া পায়ে গলিয়ে নিন। কিন্তু একটা কথা, – আপনি দেখতে পারেন তো?

আবছা ভাবে মাথা নাড়ে অরণ্য। তারপর সবুজ রঙের মাস্ক, ক্যাপ আর রবারের চটি পরে নিয়ে ডাক্তারের পিছু পিছু ও.টি.-র ভিতরে ঢোকে। ঢুকতে ঢুকতে দারুণ অনিশ্চয়তায় ডুবতে ভাসতে থাকে সে। মইনুলের পা-টা ঠিকমত বাচাঁনো গেছে তো?

অদ্ভূত ভাবে আলোকিত আর আঁধারিত অরব শীতার্ত একটা বিশাল ঘর। মাঝখানে অনেকটা দূরত্ব রেখে দুপাশে দুটি ও.টি. টেব্‌ল। উপর থেকে তীব্র আলো হুমড়ি খেয়ে পড়ছে সে দুটো টেব্‌লে। বাঁদিকেরটা টেব্‌লটা এখন ফাঁকা – অপেক্ষারত। ডাক্তারের পিছু পিছু ডানদিকের টেব্‌লটার কাছে সে এগিয়ে গেল।

সেদিকে যেতে গিয়ে প্রথমেই তার চোখে পড়লো বিবর্ণ রক্তমাখা খুব মোটাসোটা আর বড়সড় একটা শুধু পা মেঝেতে একপাশে সবুজ পলিথিন-শিটের ওপর নিঃশব্দে একা শুয়ে আছে। ও.টি, টেব্‌লের ওপর বাকি প্রায় দেড়খানা পায়ের দখল নিয়ে মাথায়, বুকে, নাকে লাগানো নানারকম তার আর নলের নিস্পৃহ জটলার মধ্যে মইনুল শুয়ে আছেন।

মাথার দিকের দেওয়ালে লাগানো মনিটরের দিকে হঠাৎ চোখ চলে গেল তার। গভীর চমক ধাক্কা দেয় তার বুকে। সেখানে একটা গতিশীল নীল রঙের আলোকরেখা তার স্বাভাবিক ঢেউগুলো প্রায় সবই হারিয়ে ফেলে ভয়ঙ্কর ভাবে এক মূঢ় নিঃস্ব সরলরেখা হয়ে পড়েছে! রেখাটা নীল রঙের কেন? আতঙ্ক বা মৃত্যুর সূচক রঙ কী নীল! দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া থেকে অতি কষ্টে নিজেকে খানিক সোজা করতে করতে ডাক্তারের দিকে ঘুরে তাকায় অরণ্য। ডাক্তার বলেন,-

-কিছু বলবেন? অরণ্য মাথা নাড়লো কী না তা সে নিজেই বুঝতে পারলো না। প্রায় বিড় বিড় করে বললো –

-এখন - এখন - তাহলে, সময়টা কত ধরা হবে?

-ধরুন না, - যা খুশি ধরুন।

-এখন তো চারটে সাত বাজে।

-ওটা আগু-পিছু কিছু করতে চান নাকি?

-না। আপনি চান?

-নাঃ, তবে ওই চারটে সাতই থাক তাহলে। আমিও ওই টাইমটাই ডেথ সার্টিফিকেটে দিয়ে দেব। আসলে ব্রেন-ডেথটা তো ঘটেই গেছে। এখন শুধুই ফর্ম্যালিটি। একটু থেমে ডাক্তার বললেন, -

-এক্সসেসিভ্‌ ব্লিডিং হয়ে গেছিল। ব্লাড, স্যালাইন, অন্যান্য ট্রমা-কেয়ারিং সবকিছুই স্টার্ট করা হয়েছিল। কিন্তু ইনজ্যুরির ডিলেইড্‌ সিভিয়্যর আফটার-শকটাই আমাদের একেবারে হেল্পলেস করে দিল। এখানে – এই কেস্‌টাতে একটা আশ্চর্য ব্যাপার ছিল। এতবড় ইন্‌জ্যুরির পর ভেরি নরম্যালি পেশেন্টের সেন্সলেস্‌ হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু কোনো কারণে তা হয়নি। এটা ভালো ছিল বা মন্দ ছিল কী না জানি না, তবে অ্যাবনম্যাল ছিল।’

আবার একটু থামলেন ডাক্তার। অরণ্য নির্বাক ছিল। নির্বাক থেকেই সে ও.টি.-র দরজার দিকে এগোতে গেল। ডাক্তারই ফের কথা দিয়ে তাকে বাধা দিলেন,-

-‘আরো একটা আশ্চর্য ব্যাপার কী ছিল জানেন তো, পেশেন্ট প্রাণে বাঁচবার চেয়ে যেন বেশি ব্যগ্র ছিল তার টোট্যালি অ্যামপুটেড্‌ হয়ে যাওয়া পা-টা বাঁচানোর জন্য! সো ফার অ্যাজ আই থিংক, অ্যাকচ্যুয়্যালি ইট ওয়জ ওয়ান টাইপ অব্‌ ট্রম্যাটিক ডিলিরিয়াম্‌! অরণ্য থেমে গিয়েছিল। আবার নড়ে উঠলো। নিঃশব্দে মাথা নেড়ে প্রায় ঘষটানো পায়ে এগিয়ে গেল ও.টি.-র দরজার দিকে ....’

ঘরটা থেকে বেরুবার মুখে সেই রক্ত-মাংস-হাড়ের বিচ্ছিন্ন, – পড়ে থাকা অনাথ পা-টার দিকে আবার তার নজর চলে গেল। ঘর থেকে বেরিয়ে জনহীন স্তব্ধ করিডরটা পেরিয়ে ও.টি.-র বাইরের দরজাটা টেনে খুলে বাইরে এসে গেল অরণ্য। একটা কৌতূহলী আবছা ভিড় তার দিকে বোধহয় এগিয়ে আসছিল। সেসব ভালো করে সে দেখতে পাচ্ছিল না। তখন তার ঘাড়ের পিছনে খুব ফিসফিস করে মইনুল বলে যাচ্ছিলেন,-

-‘দেখলেন তো স্যার .... আপনি নিজের চোখেই তো এবার দেখলেন .... ওরা আমার পা-টাকে বাঁচানোর কোনরকম চেষ্টা শুরু করার বদলে কী ভাবে এখনও পর্যন্ত কোথায় কীভাবে অযত্নে ফেলে রেখে দিয়েছে .... আমার পা-টাকে আমার কাছেই তো রাখবে, তাতে আমার পা-টাকে আমি অন্তত যত্নে রাখতে পারতাম .... তা না করে সেটাকে ঘরের মেঝেতেই একপাশে ফেলে রেখেছে .... এইজন্যই তো তখন আপনাকে অত করে বলছিলাম যে....’

________________________________

শারদীয় সংখ্যা, পথ

bengali@pratilipi.com
080 41710149
সোশাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন
     

আমাদের সম্পর্কে
আমাদের সাথে কাজ করুন
গোপনীয়তা নীতি
পরিষেবার শর্ত
© 2017 Nasadiya Tech. Pvt. Ltd.