শেষ রাতের ট্রেন


ঋভুদের বাড়িটার পশ্চিম পাশ দিয়ে বিশাল এক অজগর সাপের মত এঁকেবেঁকে চলেছে পাকা সড়ক। দক্ষিণে রেললাইন। এই কিছুদিন আগেও মিটারগেজ ছিলো। হালে ব্রডগেজ হয়েছে।

ঋভুর বয়স এগারো পেরিয়ে একমাস হলো বারোতে পড়লো। ছোটবোন দিশা আট বছরে পা দিয়েছে।

কয়েকমাস আগে ওদের ঘর নতুন করে দালান কোঠা হয়েছে। দক্ষিণের একটা রুম এখন ঋভুর দখলে। খালি পড়েছিল, ও জেদ ধরাতে শেষ অবধি মা ওর রুম হিসেবে সাজিয়ে দিতে বাধ্য হলেন।

ঋভুর হয়েছে মজা। রাত জেগে বেদম পছন্দমত বাংলা ইংলিশ গল্পের বই মজাসে পড়তে পারে। তার এই পাঠ্য তালিকায় কি নেই — সত্যজিৎ রায়ের মারকাট্টা বই থেকে শুরু করে নানা কিসিমের ডিটেকটিভ বই, হরর সিরিজ, বিভূতিভূষণের চাঁদের পাহাড় আরো কত কি! ওর ঠাকুরদা, বাবা দু ' জনেই ওদের লাইব্রেরিটা সাজিয়েছেন মনের মত করে। আর বন্ধুরা প্রচুর হরর বই সাপ্লাই তো দিয়েই যাচ্ছে। বইয়ের আবার অভাব? রাত একটা পর্যন্ত বই পড়া, ফুঃ!

রাত একটার মালগাড়িটা যখন কু ঝিকঝিক করে হাঁসফাঁসিয়ে সিটি বাজিয়ে বাড়ির ওপাশের স্টেশনে একমিনিট দাঁড়িয়ে দম নিয়ে আবার এদিকে চলতে শুরু করে ঘনঘন লম্বা সুরে সিটি বাজিয়ে, তখন ঋভু দক্ষিণের খোলা জানালায় কয়েক মিনিট দাঁড়ায়। মন্দগতিতে ট্রেনটা ওদের বাড়ি পাস না করা পর্যন্ত ও দাঁড়িয়ে দেখতেই থাকে। ট্রেনটা বেরিয়ে যেতেই ঋভু শুয়ে পড়ে। তারপর এক মিনিট এপাশ ওপাশ। তারপর ঘুমে গলে কাদা! ডেইলি রুটিন।

সেদিন পূর্ণিমা, শরতের সুস্নিগ্ধ রাতের অমল পূর্ণিমা। রাতের খাওয়া দাওয়া শেষ, স্কুলের পড়াও শেষ। মা বললেন,

_ ঋভু, দিশা যাও ঘুমিয়ে পড়ো। ভোরে উঠবে। রাত হয়েছে।

ঋভু গভীর মনোযোগ দিয়ে একটা হরর বুক পড়ছিলো। খেয়াল নেই রাত যে গভীর হয়ে গেছে। হঠাৎ দমকা হাওয়ায় এক ঝলক শিউলির মিষ্টি গন্ধ ঘরে ঝাঁপিয়ে পড়লো। পায়ে পায়ে সে অভ্যেস মত খোলা জানালায় দাঁড়ালো। বাইরে তাকিয়ে অবাক। সারাটা পৃথিবী ফকফকে জোছনায় থৈথৈ করছে। দিনের বেলার মতন সবকিছু সুস্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। ঋভু এমনটা কখনো দেখেনি। হঠাৎ রাতজাগা একটি কাক ডেকে উঠলো কা কা কা। ঋভু কোন বইয়ে পড়েছিল যেন কাকজ্যোস্নার কথা। রাতে এভাবে কাক জোছনায় ডাকে বলে বোধহয় বলা হয়।

এমন সময় বাইরে কেমন যেন ছায়া ছায়া খেলে গেলো। ঋভু আকাশে তাকালো, না আকাশ পরিষ্কার। মেঘ নেই। ভাবতে না ভাবতে আবার ছায়া ছায়া অন্ধকার। এবার যেন আরো গাঢ় অন্ধকার। এভাবে পরপর বারকয়েক হলো। ক্রমশঃ অন্ধকার বেড়ে গেলো। হঠাৎ এই আলো, এই কালোর পরে কেবল অন্ধকার। আর বাড়ির গাছপালা, ঝোপঝাড়ে শোঁ শোঁ করে ঝড়ের শব্দের মত হতে লাগলো। কাক পাখিরা ভয়ে প্রচণ্ড ডাকাডাকি শুরু করলো। ঋভুর গলাটা অজানা আশংকায় ছমছম করে উঠলো। সে ভাবলো তাহলে ঠাম্মা যে বলতো ব্রহ্মদত্যির কথা এ কি সেই? ঘাড়ের কাছে কার যেন ফোঁসফাঁস গরম শ্বাসের হলকা এসে লাগলো। ভয়ে সে বাবা বলে চিৎকার করতে চাইলো। পারলো না। কার বরফ ঠাণ্ডা হাত মুখ চেপে ধরলো।

এমনি অবস্থায় কার ফ্যাঁসফ্যাঁসে গলার স্বর সে শুনতে পেলো, " ভয় পাবি না বেটা। আই এম মরিসন। বেহ্মদত্যি নই, তোর কুছু হবে নাই। " কথা শেষে কঙ্কালের মত একটা কিছু একহাতে গলা জড়িয়ে আর হাতে ঋভুর শরীরটা জড়িয়ে ধরতে চাইলো। একটা শীতল স্রোত যেন সুমেরু মহাসাগর থেকে এসে ভয়ঙ্কর ঢেউয়ে ঋভুকে ভাসিয়ে নিতে চাইলো। সে চিৎকার করে বাবা মাকে ডাকতে চাইলো। পারলো না। জ্ঞান হারিয়ে ঋভু হুড়মুড় করে পড়ে গেলো।

এমন সময় সে ট্রেনের তীব্র সিটি যেন শুনতে পেলো। শুনলো কু ঝিকঝিক ঝমঝম। অন্ধকার কেটে গেলো, একটা বিকট চিৎকার শুধু শোনা গেলো। কে যেন ঝড়ের বেগে জানালা দিয়ে হাওয়ার মত বেরিয়ে গেলো। আর ট্রেনটি অন্যদিনের চেয়ে দ্রুতগতিতে বেরিয়ে গেলো।

এবার ঋভু চিৎকার করে বাবা মাকে ডাকতে পারলো। ওর আর্তনাদে ঘুম ভেঙে তারা ছুটে এলেন। ফ্লোর থেকে তাকে বিছানায় তুলে উদ্বেগের চূড়ান্তে জানতে চাইলেন কি হয়েছে কিনা। ঋভু মাকে জড়িয়ে ধরে শুধু বললো, মা আমি তোমার কাছে শোব।

— ঠিক আছে বাবা চল।

দু 'জনে ধরে তাকে পাশের রুমে বিছানায় শোয়ালেন। ঋভু আবার জ্ঞান হারিয়ে ফেলতে ফেলতে শুধু বিড়বিড় করতে লাগলো মরিসন মরিসন। ঋভুর মা ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠলেন। কেঁদে কেঁদে বলতে লাগলেন, হায় হতভাগা মরিসন আজো তোর মুক্তি হলো না! ঋভু তখন ঘুমিয়ে পড়েছে।

পরদিন ভোরে ঋভু চোখ মেলে তাকালো। কুসুম কুসুম ভোর, শিশির ভেজা শিউলির গন্ধে ম ম। লাফ দিয়ে বিছানা থেকে নামলো ঋভু। কাল রাতের সব ঘটনা একটুও মনে নেই তার। শুধু মনে হচ্ছিল যেন একটা দুঃস্বপ্ন দেখেছে।

ব্রেকফাস্ট টেবিলে সবাই বসা। বাবা গম্ভীর মুখে, দিশা আতঙ্কে মাখামাখি হয়ে আর মাকে দেখে মনে হচ্ছিল এখুনি হাঁউমাঁউ কেঁদে ফেলবে। থতমত ঋভু কিংকর্তব্যবিমূঢ়। একটা চেয়ার টেনে বসতেই দিশা বলে উঠলো, দাভাই তোর কি হবে রে?

ঋভু কিছু উত্তর দেবার আগেই মা ফোঁসফোঁস করে কান্না শুরু করলো। বাবা দু 'জনকেই জোর ধমক দিয়ে চুপ করালেন। ঋভু মিনমিন করে জানতে চাইলো কি হয়েছে কিনা। বাবা গম্ভীর গলায় বললেন, কোথায় কি হয়েছে? যত্তসব ...

সারাদিন যেমন তেমন কাটলো। শুধু ক 'জন অদ্ভুতদর্শণ লোক এলো। বাবার সঙ্গে চাপা গলায় কিসব বার্তালাপ হলো, আর যাবার সময় ছোট একটা পুঁটলি বাবার হাতে দিয়ে গেলো। ঋভুর কৌতূহল হলেও জিজ্ঞেস করার সাহস হলো না। শেষমেষ ভাবলো যাক গে।

রাতে ঋভু নিজের রুমে থাকবেই। নাছোড়বান্দা। অবশেষে ঠিক হলো বাবা ঋভুর সঙ্গে ঘুমুবেন। অগত্যা নিমরাজি হতে হলো তাকে। বাবা প্রায় এগারোটার দিকে ঘুমুতে এলেন। ঋভুকে বললেন আর পড়তে হবে না। রাত হয়েছে ঘুমিয়ে পড়তে। ঋভু সবেমাত্র একটা গল্পের বই হাতে নিয়েছিল। কি আর করে, শুয়ে পড়লো। বাবা সেই পুঁটলিটা ঋভুর বালিশের নিচে রেখে দিলেন।

আধঘণ্টার ভেতর মৃদুলয়ে বাবার নাক ডাকতে শুরু করলো। আরো কিছুক্ষণ এপাশ ওপাশ করে ঋভু ঘুমিয়ে পড়লো। কতক্ষণ হলো সে জানে না। হঠাৎ কে যেনো বরফ ঠাণ্ডা হাতে তাকে ধাক্কা মারতে লাগলো। ধড়ফড় করে সে উঠে বসলো । ডিম লাইটের অস্পষ্ট আলোয় চারপাশে তাকালো। নাহ্ কেউ নেইতো!

এমন সময় ট্রেনের সিটি শোনা গেলো। ঋভু পা টিপে টিপে দক্ষিণের জানালার কাছে গেলো। বাবার যাতে ঘুম না ভাঙ্গে চুপিচুপি জানালার ছিটকিনি খুলে বাইরে তাকালো। পূর্ণিমার পরদিনের শেষ রাতের উজ্জ্বল জ্যোৎস্না যেনো খিলখিল হেসে পরিপার্শ্বে কেমন এক মায়াবী জগৎ গড়ে তুলেছে। ঋভু চোখ ফেরাতে পারছিলো না। এমন সময় ঝিকঝিক ঝমঝম ট্রেনটা ছুটে আসতে লাগলো। ঋভু একদৃষ্টে তাকিয়েই ছিলো।

ঋভুর শরীরটা একটা দৃশ্য দেখে পাথরের মত শক্ত হয়ে গেলো। ইয়া দশাসই ঢ্যাঙা টুপি পরা একটা লোক চিৎকার করে চলন্ত ট্রেনে ঝাঁপিয়ে পড়লো। মুহূর্তে তার শরীর কেটে টুকরো টুকরো হয়ে গেলো।

আতঙ্কে ঋভু চিৎকার করে উঠলো কিন্তু তার গলা দিয়ে কোন স্বর বের হলো না। সে চাইলো ছুটে বিছানায় বাবার কাছে যেতে। পারলো না। অকস্মাৎ চারপাশ ঘুরঘুট্টি অন্ধকারে ডুবে গেলো। আর অদ্ভুত এক ঠাণ্ডা তাকে জমিয়ে দিলো। আগের দিনের ঠাণ্ডা কঙ্কাল হাত দুটি তাকে চেপে জড়িয়ে ধরলো। কে যেনো ঠাণ্ডা ছুরি দিয়ে তাকে ফালা ফালা করে ফেলছিলো ।

জ্ঞান হারাতে হারাতে সে টের পেলো তাকে জড়িয়ে ধরে শীতল কঙ্কালটা কিভাবে যেনো বাতাসের মত হয়ে তাকেও বাতাস করে জানালা দিয়ে বের করে হু হু বেগে ছুটে চলেছে। শেষবারের মতআপ্রাণচেষ্টা করে সে বাবা বলেএকবারচিৎকারকরে উঠলো।আরকিছু মনেনেই।

ঋভুর আর্তনাদে বাবা জেগে উঠে লাইট জ্বালাতে চাইলেন, পারলেন না। ঋভুকেও ডিম লাইটের আলোতে ঘরের কোথাও পেলেন না। খোলা জানালার কাছে ছুটে গেলেন, দেখলেন ঘুটঘুটে কালো বিশাল এক জন্তুর মত কিছু আকাশপথে দক্ষিণের দিকে ছুটে যাচ্ছে। আর হ্যাঁ ঋভুকে দু 'হাতে জড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে। চিৎকার করে তিনি বাড়ির লোকজনদের ডেকে ডেকে ঘর থেকে বেরিয়ে এলেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের বাড়ির লোকজন বেরিয়ে এলো। সব শুনে ঠিক হলো সাহসী দশ বারোজনের একটা দল লাঠি, ছোরা, টর্চ ইত্যাদি নিয়ে এক্ষুণি দক্ষিণের দিকে বেরোতে হবে। সবাই রেডি হতে লাগলো।

এদিকে অজ্ঞান ঋভু কিছু জানতে বা বুঝতে পারেনি তার কি হচ্ছে। বেশ খানিকক্ষণ বাদে শীতল কঙ্কাল তাকে ধপাস করে নিচে ফেললো তখন ধীরে ধীরে ঋভুর জ্ঞান কিছুটা ফিরে এলো। অনেক কষ্টে চোখ খুলে সে দেখতে পেলো একটা সমাধির কাছে সে পড়ে আছে। পাথরের ফলকে ইংরেজিতে নাম লেখা আছে মরিসন গোমেজ। মরিসন নামটা দেখে ঋভুর বুকে যেন কে হাতুড়ি দিয়ে পেটাতে লাগলো। চোখ আধবোজা করে সে পুরো সমাধিটা দেখার চেষ্টা করতে লাগলো।

রাতের শেষ প্রহরের ম্লান জোৎস্নায় জঙ্গলে প্রায় আচ্ছন্ন সমাধিটা দেখতে লাগলো। যদিও ভয়ে তার অন্তরাত্মা শুকিয়ে যাচ্ছিল, তবু প্রাণপণ শক্তিতে সে দেখতে চাইলো। সমাধির একপাশে একটা পা যেনো উঁচিয়ে আছে পায়ের পাতায় একপাটি জুতো ঢলঢল করছে। এটা তাহলে মরিসনের সমাধি! বেচারা মরিসনকে তাহলে ঠিকঠাক সমাধিস্থ করা হয়নি! তার এই ভাবনার সঙ্গে সঙ্গে একঝলক দমকা হাওয়া হু হু করে তার শরীরের উপর দিয়ে বয়ে গেলো। যেনো কেউ তার ভাবনাকে সম্মতি জানালো।

ঋভু যে মুহূর্তে খানিকটা ধাতস্হ হতে যাচ্ছিল, ঠিক তক্ষুনি আবার চারপাশ অন্ধকার করে যেন মহাপ্রলয় শুরু হলো কারা যেন চারপাশ থেকে তাকে নিয়ে টানাটানি শুরু করলো। বেচারা ঋভুর প্রাণ যায় আরকি! এখন কিন্তু ঋভু অনেক শক্ত হয়ে গেছে। সে বুঝতে পারছে তাকে মেরে ফেলা উদ্দেশ্য নয়, তাকে দিয়ে কেউ বা কারা কিছু স্বার্থসিদ্ধি করিয়ে নিতে চায়।

কিন্তু কে বা কারা কি চায় সেটা বুঝতে পারছিলো না। এমনি সময় সেই ঠাণ্ডা কঙ্কাল হাত তাকে হ্যাঁচকা টানে কোথায় নিয়ে যেতে লাগলো তার মনে হচ্ছিল সে ভুল ভেবেছে। যখন তার একটা হাত ধরে কাঁকুড়ে মাটির ওপর দিয়ে হিঁচড়ে টেনে নিতে লাগলো, তখন ঋভুর প্রাণ বেরিয়ে যাচ্ছিলো।

একটা বহু পুরনো বাংলো বাড়ির দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াতেই দরজা ক্যাঁচকোঁচ করে খুলে গেলো। একটা বোঁটকা গন্ধে দম বন্ধ হয়ে আসছিলো। চারদিকে মাকড়শার জাল, আরশোলা ওড়াউড়ি করছে। একটা হলঘর মনে হলো। দেয়ালে বেশ কিছু ফ্যামিলি ফটোগ্রাফ। একটা ছবি দেখে মনে হলো একজন পুরুষ ও মহিলা মাঝখানে চেয়ারে বসা। দু 'পাশে দুটি ছেলে দাঁড়িয়ে। এই তাহলে মরিসন, তার বৌ আর দু 'ছেলে।

পাশের রুমে তাকে টেনে নিলো। এটা নিশ্চয়ই বেডরুম। একটু সামনে যেতেই ঋভু যা দেখলো তা অকল্পনীয়। অজান্তেই সে প্রচণ্ড জোরে চিৎকার করে উঠে মাটিতে লুটিয়ে পড়লো। পাশের খাটে মাথা লেগে ফেটে গিয়ে গলগল করে রক্ত বের হতে লাগলো। খাটের উপর পাশাপাশি শোওয়া তিনটি কঙ্কাল। মরিসনের বৌ আর দু 'ছেলের।

ভোর হয়ে আসছিল। একজন পুরুষ মানুষের গুমরানো কান্নার অস্পষ্ট আওয়াজ চারপাশে একটা কান্নার আবহ সৃষ্টি করেছিল। ঋভুর বাবা

সদলবলে তার বিকট চিৎকার শুনে ঘরে এসে ঢুকলেন। সারারাত এই এলাকায় জঙ্গলে ঘোরাঘুরি করেও তাঁরা কোন নিশানা লাগাতে পারেননি। তাঁদের সঙ্গে গির্জার পাদ্রিও যোগ দিয়েছিলেন। তিনি বললেন ঋভুকে তাড়াতাড়ি বাইরে নিতে। আরো বললেন এই তিনটি কঙ্কালের সমাধির ব্যবস্থা এবং মরিসনেরও আবার সঠিকভাবে সমাধির ব্যবস্থা করলে মরিসন শান্ত হবে। হয়তো এজন্যই তার আত্মা শান্তি পাচ্ছিল না। সবাই সম্মতি জানালো।

bengali@pratilipi.com
080 41710149
সোশাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন
     

আমাদের সম্পর্কে
আমাদের সাথে কাজ করুন
গোপনীয়তা নীতি
পরিষেবার শর্ত
© 2017 Nasadiya Tech. Pvt. Ltd.