সুন্দরবন টুরিস্ট লজ



কার্সিয়াংএর এক বোর্ডিং স্কুলে ছেলেকে ভর্তি করে দিয়েছি। ক্লাস ফোর থেকে ও সেখানেই পড়ছে। এবারের ক্রিসমাস আর নিউ ইয়ারের ছুটিটা ছেলে হয়তো আমার স্ত্রীর কাছে কাটাবে। তাই আমার অফিস থেকে বেড়াতে যাওয়ার প্রোগ্রামে ‘হ্যাঁ’ বলে দিয়েছি। আমাদের বিয়ে হয়েছে প্রায় আট বছর। আমরা এখন আলাদা থাকি। আমি থাকি আমার সল্টলেকের বাড়িতে। স্ত্রী থাকে ওর বাবা-মার সাথে টালিগঞ্জে। আমাদের বিয়েটা টেকে নি বেশিদিন। বলা ভাল বিয়েটা সুখের হয় নি বেশিদিন। তবে ডিভোর্স হয় নি আমাদের। সেটা বোধহয় ছেলে রোহনের কথা ভেবে। আমি ওকে অনেকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম। বলেছিলাম-‘দেখো সুস্মিতা, রোহনের বয়স মাত্র তিন বছর, তোমার এই সেপারেশনের সিন্ধান্ত ওর জন্য খুব খারাপ হতে পারে’। উত্তরে ও বলেছিল-‘তোমাকে সে চিন্তা করতে হবে না। রোহনকে আমি সাথে নিয়ে যাবো’।

বাবা হিসাবে আমার কর্তব্য আমি অস্বীকার করতে পারি নি। তাই ছেলের পড়াশোনার সব দায়ীত্ব আমি নিয়েছিলাম। তারপর সুস্মিতা একটা চাকরীতে ঢোকার পর ছেলেকে কার্সিয়াংএর স্কুলে ভর্তি করে এসেছিলাম। আমাদের বৈবাহিক জীবন প্রীতিকর ছিল না কখোনোই। বাবা-মা দেখাশোনা করে বিয়ে দিয়েছিলেন। ঝগড়া, অশান্তি, বিবাদ লেগেই থাকতো। সেটা সব দম্পতির মধ্যেই থাকে। তবে দোষ বোধহয় কারুরই ছিল না। একটা সম্পর্ক টিকে থাকার জন্য বিশ্বাসের টিকে থাকা খুব জরুরী। সুস্মিতা আমায় বিশ্বাস করতো না। স্বামীর একাগ্রতায় ওর সন্দেহ ছিল। সেটা বোধহয় বিয়ের আগে মিত্রার সঙ্গে আমার রিলেশনের জন্য। কিন্ত সে ঘটনা তো অনেকদিন আগেই অতীত হয়ে গেছে। আমি তো পিছনে ফিরে তাকাই নি আর কোনোদিন। মিত্রাও তাকায় নি। বিয়ে করে সে এখন সুখে শান্তিতে সংসার করছে। তবে হ্যাঁ, এই সংসারটা মিত্রা আমার সঙ্গে করতে পারতো। কলেজে আমাদের খুব ঘনিষ্ট বন্ধুত্ব ছিল দুজনের। অসম্ভব ভালবাসতাম আমরা একে অপরকে। আমাদের বাবা-মা বোঝেন নি সে কথা। হয়তো এটাকেই জেনেরেশন গ্যাপ বলে। ওদের চোখে ভালবাসাটা একটা ছেলেমানুষীর মোহ ছাড়া আর কিছুই ছিল না। আমরা পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করতে পারতাম। কিন্তু মিত্রা তা চায় নি। ওর বিধবা মায়ের মুখের দিকে তাকিয়ে। তবে ও এখন খুব ভাল আছে। বেশ বড়লোক ঘরে বিয়ে হয়েছে। তারপর থেকে ওর সঙ্গে আমার দেখা বা কথা হয় নি আর কোনোদিন। তবে ওর স্বামী রুপম রায়কে আমি চিনি। অফিসের পথে রাস্তায় মাঝে মধ্যে দেখা হয়। ভাল ছেলেটা। কিন্তু ওর সঙ্গেও প্রায় অনেকদিন দেখা নেই।


রোহনের সঙ্গে ফোনে কথা হয়ে গেছে আমার। ছুটির এই সাতদিন ও থাকছে ওর মার সঙ্গে মামার বাড়িতে। আর আমি যাচ্ছি অফিসের কলীগদের সাথে বেড়াতে। সুন্দরবন। সবকিছু আগে থেকে ঠিক করে রেখেছিল বন্ধুরা। যাওয়ার জন্য গাড়ি, থাকার জন্য হোটেল বুকিং, সেখানে ঘোরা, খাওয়া-দাওয়া সব কিছু ওরাই বন্দোবস্তো করেছে। আমি একটু অলস টাইপের। বেশি ঝামেলা নিতে ভাল লাগে না। শুধু টাকা দিয়ে খালাস। আমরা দশ জন সময় মতো আজ পৌঁছে গেলাম সুন্দরবন। ডিসেম্বরে শীতের আবহাওয়াটা বেশ ভালই লাগছে। এখন এখানে বেড়াতে আসার লোকের ভীড় খুব। সবাই সুন্দরবন ঘুরতে এসেছে। আমি এসেছি প্রথমবার। আমরা যে হোটেলটাতে উঠেছি তার নাম সুন্দরবন টুরিস্ট লজ। লজটা মোটামুটি ভালই। আমরা দুতালায় চারটে রুম নিয়ে আছি। বারান্দা থেকে দূরে জঙ্গল দেখা যাচ্ছে, মাঝখান দিয়ে সরু সরু খাঁড়ি চলে গেছে। আমরা যাবো ওখানে বোট-সাফারিতে। কলীগরা ট্যুর-প্ল্যান শোনাচ্ছিল। আমাকে বলছিল-‘নীলাঞ্জন শুনে নে...কি কি দেখার এবং যাওয়ার জায়গা আছে। সুন্দরবন ন্যাশানাল পার্ক, ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট, পাখিরালয়, সজনেখালি টাইগার রিজাভ, সুধন্যখালি ও দোবাঁকি ওয়াচ-টাওয়ার, পাঁচটা নদীর সংযোগস্থল পাঁচমুখানী ইত্যাদি ইত্যাদি’। আমার অত ট্যুর-প্ল্যান শোনার ইচ্ছা ছিল না। আমি শুধু ওদের সঙ্গে থাকবো ব্যাস। তাহলেই ঘোরা হয়ে যাবে।


গত কালের দিনটা কোনোভাবে কেটে গিয়েছিল, শুয়ে বসে, এদিক ওদিক ঘুরে। আজ আমরা যাবো বোট-সাফারিতে। খুব ভোরে ওঠা অভ্যাস আমার। এখানে সূর্যোদয় দেখার জন্য সবাই ভোরে উঠেছে দেখলাম। আমি ছাড়া আমারদের গ্রুপের কেউ ওঠে নি। বারান্দায় একা দাঁড়িয়ে আছি। ভীষন সুন্দর লাগছে শীতের এই সকালটা। কত শান্ত, স্নিগ্ধ জীবন এখানে। এত সকালে আজকেরটা না পাওয়া গেলেও গতকালের খবরের কাগজটা নিশ্চই পেতে পারি নিচে অফিসে। তাই নিচে চললাম। সিঁড়িতে পা রাখতেই বুকটা হঠাৎ কেঁপে উঠলো। নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। মিত্রাকে দেখলাম। সিঁড়ি দিয়ে উপরে আসছে। দুজনের দৃষ্টি বিনিময় হলো। এক অদ্ভু্দ খুশির ঝলক দেখলাম আমি ওর চোখে। একটা সুন্দর শাড়িতে ওকে আগের চেয়ে আরও বেশি মিস্টি লাগছে। ওর চোখে আমি কোনো অবাক করা ভাষা দেখলাম না। উপরে উঠে এসে আমার সামনে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলো-‘কেমন আছো নীল’?

-‘মিত্রা...তুমি এখানে? ও...মাই...গড..., আই কান্ট বিলিভ দিস। আমি ভাল আছি...তুমি কেমন আছো?’ ও হেসে জবাব দিলো-‘এই চলছে একরকম। আমরা স্কুলের টিচাররা সব একসাথে বেড়াতে এসেছি। ওপরের তলায় আমাদের রুম। তুমি মনে হচ্ছে অফিসের কলীগদের সাথে এসেছো’।

আমাদের ওপরের তলায় মহিলাদের কোনো গ্রুপ আমার চোখে পড়ে নি। যাইহোক, আমি ওর অনুমান দেখে অবাক হলাম। তারপর দুজনে অনেকক্ষণ ধরে অনেক কথা বললাম। পুরানো দিনের কত কথা আবার নতুন করে স্মৃতিচারন করলাম। খুব ভাল লাগছে ওর সাথে কথা বলতে। বিয়ের পর একটা বাচ্চাদের স্কুলে চাকরী নিয়েছে। অনেক পরিনত হয়ে গেছে এখন ও। তবুও ওর চোখে আমার প্রতি ভালবাসা খুব সন্তর্পনেও লুকাতে পারলো না মিত্রা। তাতে ও একটুও লজ্জিত হয় নি। কিছু ভালবাসা এমন হয় যা সারা জীবনেও ভোলা যায় না। সেটা ও মনে করিয়ে দিলো আমায়। তারপর খুব স্বাভাবিক ভাবেই একটা কাজ করলাম। আমরা দুজন আমাদের গ্রুপ থেকে আলাদা হয়ে গেলাম। সারাটা দিন মিত্রা আমার সঙ্গে থাকলো। দুজন একসঙ্গে ঘুরলাম, বেড়ালাম, বোট-সাফারি করলাম, খাওয়া-দাওয়া করলাম আরও কত সময় কাটালাম। একটা অপরাধবোধ মাথার মধ্যে চাড়া দিয়ে উঠছিল বারবার। মিত্রা এখন আর আমার প্রেমিকা নেই, সে এখন অন্য একজনের স্ত্রী। তবুও মন ভীষণ খুশি হচ্ছিল ওকে এতদিন পর কাছে পেয়ে, ওর সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে। সেটা মিত্রা বুঝতে পারছিল, আর তাই বোধহয় ও নিজেও ভীষণ খুশি হচ্ছিল। বারোটা বছর পর দুটো ভালবাসার মানুষ আবার একসাথে। পাশাপাশি হেঁটে চলা, পাশাপাশি কথা বলা।


পাঁচদিন পার হয়ে গেছে। আমি আর মিত্রা প্রতিটা দিন, সারাটাদিন সুন্দরবনের সব বেড়ানোর জায়গাগুলোয় ঘুরে ঘুরে ফিরেছি। সন্ধ্যে বেলায় লজে ফিরে এসে কলীগদের প্রশ্নের সম্মূখীন হয়েছি। তারপর ওদেরই সঙ্গে মজা করে কাটিয়েছি সারাটা রাত। বন্ধুদের প্রশ্নে জুড়েছি নিজের প্রশ্নও। তবে কি মিত্রা আমারই মতো ওর স্বামীর সঙ্গে খুশি নয়? তবে কি মিত্রা আমার সঙ্গে আবার কোনো সম্পর্ক গড়তে চায়? পুরানো ক্ষতের উপর কেনই বা ও এমন করে ভালবাসার প্রলেপ লাগাতে চাইছে? আমরা তো ফিরে যাবো আবার সেই আমাদের চরম সত্যের জগতে।

আজ দুজন একসাথে সজনেখালি আর সুধন্যখালি ওয়াচটাওয়ারে উঠেছি। ম্যানগ্রোভ ফরেস্টে ঘুরে বেড়িয়েছি হাত ধরে। সন্ধ্যের আগে হোটেলে ফিরে এসেছি দুজনে। আর এখন, বসে আছি সুন্দরবন টুরিস্ট লজের বারান্দায়। দুজনে দুটো প্লাস্টিকের চেয়ারে। মাটির ভাঁড়ে চা আছে দুজনের হাতে। সুন্দর একটা শোয়েটারে মিত্রাকে ভীষণ ভাল লাগছে। আমি জড়িয়েছি একটা মোটা শাল। অনেকক্ষণ চুপচাপ থাকার পর মিত্রাই শুরু করলো। বললো- ‘নীল এই ক’দিন তুমি আমার সঙ্গে থেকে আমাকে খুব আনন্দ দিলে। আমি খুব খুশি হয়েছি। থ্যাংক ইউ নীল’।

-‘আরে মিত্রা...তুমি এ কি বলছো। এত বছর পর আমাদের দেখা হওয়ায় আমরা দুজনেই খুব খুশি হয়েছি। তোমার সঙ্গে সময় কাটিয়ে আমারও খুব ভাল লেগেছে’।

তারপর আরও একবার নিস্তব্ধতা। হাতের চা শেষ হয়ে গেছে। এবার আমি ওর চোখের দিকে তাকিয়ে বললাম-‘আচ্ছা মিত্রা, একটা কথা জিজ্ঞেস করবো? তুমি কি রুপমের সঙ্গে সুখী নও’?

-তেমন কিছু নয় নীল। ও আমার ভীষণ খেয়াল রাখে। ভালবাসে। আমাকে সম্মান দেয়, সবসময় খুশি করার চেষ্টা করে আমাকে। রুপম খুব ভাল একটা স্বামী। কিন্তু আমি তোমায় ভুলতে পারি নি নীল। হয়তো কোনো জন্মেও ভুলতে পারবো না’।


আমি আর একটা কথাও বলি নি। আমার খুব কান্না পাচ্ছিল। নিজেকে ওর সামনে সমর্পণ করতে ইচ্ছা করছিল। আমি কেমন আছি, বলতে ইচ্ছা করছিল। কিন্তু আমি বোঝাবো কেমন করে, ওর জীবনে আমার ফিরে যাওয়ার আর কোনো জায়গা নেই। আমার মুখের দিকে তাকিয়ে জানি না কি বুঝেছে ও। শুধু উঠে দাঁড়িয়ে বললো-‘আমি কাল খুব ভোরে ফিরে যাবো। তোমার সঙ্গে আবার দেখা করার চেষ্টা করবো নীল। এখন আমার খুব ঠান্ডা লাগছে, আমি রুমে যাচ্ছি’। আমার যে কী হলো, নিজের গা থেকে শালটা খুলে আমি ওর গায়ে জড়িয়ে দিলাম, আর বললাম,-‘আর একটু বোসো না প্লিজ...। আর একটু কথা বলি। আমরাও পোরশু চলে যাবো’।

শালটা জড়িয়ে নিয়ে চেয়ারে আবার বসলো ও। তবে কথা হলো না কিছুই। আমাদের একে অন্যের সান্নিধ্যই ছিল বোধহয় যথেষ্ঠ। তাই শব্দের প্রয়োজন হচ্ছিল না। কতক্ষণ আমরা এমন ভাবে ঠান্ডায় বসে ছিলাম জানি না। আমি শুধু ওকে দেখছিলাম। এত শান্ত কেন ও? তবে কি মিত্রা কাঁদছে? আমার দিকে তাকালো ও এবার। না...ওর চোখে জল নেই। আমার খুব কাছে এসে ও বললো-‘তোমার বিবাহীত জীবন নষ্ট হয়ে গেছে নীল, জানি। কিন্তু কি করবে বলো। রোহনের জন্য যে তোমাকে শক্ত হতে হবে’।

আমি একটু অবাক হলাম। আমার সব খবর রেখেছে মিত্রা। জানি না কেমন করে। তবে আমার জন্য এখোনো ও এত ভাবে। এবার সত্যি চলে যাওয়ার জন্য হঠাৎ উঠে দাঁড়িয়ে বললো-‘একটা কথা জিজ্ঞেস করবো নীল? আমি বললাম-‘কি কথা বলো...’

-‘নীল, তুমি কি আজও আমায় ভালবাসো?

প্রশ্নটার উত্তর আমার জানা ছিল না। কিম্বা হয়তো জানা ছিল কিন্তু আমার মুখে ছিল না। আমি কোনো কথা বলতে পারলাম না। শুধু ভেজা দুটো চোখে ওর দিকে তাকিয়ে থাকলাম। তারপর মিত্রা হঠাৎ নিচু হয়ে আমার মুখটা ধরে কপালে একটা চুমু খেয়ে বললো,-‘আমার উত্তর আমি পেয়ে গেছি। তুমি ভাল থেকো নীল। বায়...’। সিঁড়ির দিকে চলতে চলতে মিত্রা আমার দৃষ্টির বাইরে চলে গেলো। আমার স্মৃতির চাদরে জড়িয়ে ফিরে গেলো সে আরও একবার, আমার স্মৃতি হয়ে। আমি আরও কিছুক্ষণ বসে থাকলাম একা। অনেক কিছু ভাবতে থাকলাম একা। রাতের খাওয়ার সময় হয়ে গেছে। বন্ধুরা বোধহয় আমাকে ডাকছে। রুমে চলে এলাম। তারপর চলে এলাম সুন্দরবন টুরিস্ট লজ থেকেও। কলকাতায়, আমার কঠীন জীবনে।


নিউ ইয়ার হ্যাপি হয়ে গেছে দু’দিন হয়ে গেল। গত পাঁচদিন ধরে মিত্রার সঙ্গে কাটানো প্রতিটা মুহুর্ত চোখের সামনে ভাসছে এখনও। ভোলার চেষ্টা করছি। রোহন আমার সঙ্গে দেখা করেছে। আমাকে দেখে খুব খুশি হয়েছে। এবারের রেজাল্টটাও খুব ভাল করেছে ও। কাল ওকে কার্সিয়াং ছাড়তে যাবো। এক সপ্তাহ ছুটির পর আজ অফিসে কাজের চাপ একটু বেশি ছিল। তবুও সবকিছু সেরে তাড়াতাড়ি বাড়ি ফিরছি। ছেলের সঙ্গে একটা রাত কাটাবো। ছুটির পর হঠাৎ রাস্তায় মিত্রার হাজবেন্ড রুপমের সঙ্গে দেখা হয়ে গেলো। স্বাভাবিক ভাবে জিজ্ঞেস করলাম-‘কি...রুপম, কেমন আছো? অনেকদিন দেখা নেই তোমার, কোনো খবর নেই। কোথায় এখন তুমি’?

রুপম কোনো জবাব দিল না। ওর সেই স্বতস্ফুর্ত ভাবটা চোখে পড়লো না। শুধু অন্যমনস্ক হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। আমি দেখছি ওকে। ভীষণ বিষন্ন লাগছে ওকে। তারপর ও আমার দিকে তাকিয়ে একটু দুঃখের সঙ্গে বললো-‘আমি এখানে ছিলাম না দাদা। বাবা-মার কাছে হরিদ্বার গিয়েছিলাম। চাকরীটাও বদলেছি। আপনি হয়তো জানেন না...একটা খারাপ খবর আছে। প্রায় এক বছর হয়ে গেল, মিত্রা মারা গেছে, হার্ট অ্যাটাকে’।

-‘হোয়াট’?


-----সমাপ্ত-----


bengali@pratilipi.com
+91 9374724060
সোশাল মিডিয়াতে আমাদের ফলো করুন
     

আমাদের সম্পর্কে
আমাদের সাথে কাজ করুন
গোপনীয়তা নীতি
পরিষেবার শর্ত
© 2015-2016 Nasadiya Tech. Pvt. Ltd.